তানোর ‘রাজশাহী’ প্রতিনিধি: রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকার ফের নব্য জেএমবি বা জঙ্গি উঙ্খানের খবরে সাধারণের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বিরাজ করছে ও আবারো জঙ্গি ইস্যু নিয়ে অলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি নির্বাচনী এলাকায় একাধিক জঙ্গি উঙ্খানের এসব ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠেছে সাবেক এক মন্ত্রী ও তার অনুগত এক পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ বলছে, ওই নেতা তার অনুগত মেয়রকে নিয়ে রাজনীতির মাঠে সরব ও নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণার পরপরই জঙ্গি আবির্ভাব বা উঙ্খান ঘটেছে। দীর্ঘদিন পরে রাজনীতির মাঠে নিজেদের শক্তির জানান দিতেই তাদের নেপথ্যে মদদে এসব জঙ্গি উঙ্খানের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সাধারণের মধ্যে গুঞ্জন বইছে। যে কারণে এলাকায় ওই নেতার আগমণ, অবস্থান, রাজনৈতিক কর্মকান্ড, আয়-ব্যয়, তাঁর সঙ্গে কাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বা তাঁর ডাকে সাড়া দিচ্ছেন কারা ও কাদের সঙ্গে চলাফেরা ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর ওপর নজরদারির জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বলেও প্রচার রয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে তানোরের পাঁচন্দর ইউপি এলাকা থেকে জঙ্গি নেতা, বাংলা ভাইয়ের অনুসারি ও সক্রিয় সদস্য শহিদুল্লাহকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও জেহাদি পুস্তকসহ আটক করে পুলিশ। এ ঘটনার পর দীর্ঘদিন এলাকায় জঙ্গিবাদের তেমন কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। কিšত্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পতনের পরে এক সাবেক মন্ত্রীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ও নেপথ্যে মদদে তাঁর অনুসারি এক সময়ের অস্ত্রধারী শিবির ক্যাডার ও যুবদল নেতা বাঙলাভাইয়ের আদলে লালবাহিনী নামে রাঁতারাতি একটি বির্তকিত ভূঁইফোড় সংগঠন সৃষ্টি করে নিজেদের শক্তির জানান দিতে তানোর পৌর সদরে লালবাহিনী লালপোষাকে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রা বের করে। এ ঘটনায় এলাকার শান্তিপ্রিয় সাধারণের মধ্যে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্ন উঠে বির্তকিত সংগঠনের আবির্ভাব নিয়ে। আর সংগঠনের নানা বির্তকিত কর্মকান্ডের কারণে তাদের বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করা হলে রাতারাতি সংগঠনটি গায়েব হয়ে যায় তবে সংগঠনের কর্মীরা গোপণে মাঠে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। আর সংগঠন সৃষ্টির সময়ে সদস্যদের চাঁদা ও সাবেক মন্ত্রীর অনুদানের বিপুল পরিমাণ টাকা সংগঠনের প্রধান সমন্বনায়ক যুবদল নেতা আতœসাৎ করে বলেও প্রচার রয়েছে। এদিকে সাবেক এক মন্ত্রী নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয় ও প্রচার-প্রচারণার পরপরই তানোর ও গোদাগাড়ীতে পৃথক বেশ কয়েকটি আলোচিত জঙ্গি আস্থানায় আইনশৃঋলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এসব জঙ্গি উঙ্খানের ঘটনায় সাধারণের মনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের অভিমত এসব বির্তকিত ব্যক্তি রাজনীতির মাঠে থাকলে যে কোনো সময় অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে তাই তাদের বিষয়ে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের শতর্ক থাকা দরকার এবং মনে রাখা দরকার এসব ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি হলে দেশ ও সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকার এদের বিরুদ্ধে এখানোই জনমত গড়ে তোলা ও তাদের প্রতিহত করা দরকার বলেও তারা মনে করছে। অপরদিকে সাবেক ওই মন্ত্রী ও তাঁর অনুগত মেয়রের এলাকায় অবস্থান, আয়ের উৎস্য, রাজনৈতিক কর্মকান্ড, তাদের সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত বা কারা তাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন ইত্যাদি বিষয়ে তাদের ওপর আইনপ্রয়োগকারি সংস্থার কঠোর নজরদারি দাবি করেছে সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষের অভিমত তাদের কারণেই ফের তানোর-গোদাগাড়িতে জঙ্গি উঙ্খান ঘটেছে। তানোর-গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ : ভূমিমন্ত্রীর সংবাদ বর্জনের ঘোষণা
- » তানোরে একটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে দায় নিবে কে ?
- » তানোরে আলু চাষের ধূম
- » স্বর্ণ ব্যবসায়ী যখন ভূমিদূস্যু
- » প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে !
- » তানোর বিএমডিএ’র ইঁদুর-বেড়াল খেলা
- » ব্যারিস্টারের গলার কাঁটা শাহিন
- » তানোরে ময়না ক্যাবল নেওয়ার্কের উদ্বোধন
- » তানোরে সাঁওতাল পল্লীতে বিনামূল্য স্যানেটিশন সামগ্রী বিতরণ
- » তানোরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ময়নার বিকল্প নাই










Leave a Reply